ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি
বাংলাদেশ রেলওয়ের কোটি কোটি টাকার অনিয়মে ক্ষোভ প্রকাশ করেন জাতীয় সংসদীয় কমিটি। এইসব অনিয়মের মধ্যে গুরুতর হল রাজবাড়ী জেলা থেকে কুষ্ঠিয়ায় পাঠানো ২ কোটি ৮৯ লাখ ২৭ হাজার টাকার ২ হাজার ৯০০ বিজি স্টিলের স্লিপার গায়েব হওয়া। কুষ্ঠিয়া রেল স্টেশনের স্টোর রিটার্নে ইহার কোন হদিস নাই। ইহা ছাড়াও অডিট আপত্তিতে রয়েছে রেলের মালামালের বিপরীতে চালান না দেওয়া, রেলের মালামাল আছে তো হিসাব নেই, মজুদ রেজিস্ট্রার খাতায় এণ্টি নাই, কাগজে আছে তো বাস্তবে সে পণ্য নাই।
এই সংসদীয় কমিটির বৈঠকে উপস্হাপিত বাংলাদেশ রেলের ১৬ টি অডিট আপত্তি পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, বাংলাদেশ রেলওয়ের ক্ষতির পরিমাণ ১৬ কোটি ১৭ লাখ টাকা। এই কমিটি অডিট আপত্তির এইসব টাকা আদায় করে রাষ্ঠ্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার জন্য সুপারিশ করেছে। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ক্যাবিনেট কক্ষে গত সোমবার অনুষ্ঠিত সরকারি হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ৯৩ তম বৈঠকের কার্যপত্র পর্যালোচনা করে এইসব তথ্য পাওয়া যায়।
এই বৈঠক থেকে আরও যে অনিয়মগুলি পাওয়া যায় তা হচ্ছে, দরপত্রে অংশগ্রহণ না করা সত্তে¡ও বিধিবহির্ভ‚তভাবে ঠিকাদারের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন ও ঠিকাদার নিয়োগ। একক কাজ একাধিক প্যাকেজে বিভক্ত করে বিল পরিশোধ। রোড সারফেসের কাজ না করেই ঠিকাদারকে বিল পরিশোধ। অনুমোদনহীন ভাবে ৩ টি গেটলজ নির্মাণ করে ৬ টির বিল পরিশোধ।
লেভেল ক্রসিংয়ের কাজ শেষ না হতেই সেই ক্রসিংয়ের জন্য সংস্কারের বিল পরিশোধ করা। এই সংসদীয় কমিটির বৈঠকে বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব,বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
