আলো ডেস্ক
পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণের কারণে কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট সচল থাকায় উৎপাদন হচ্ছে ২২১ মেগাওয়াট।
তিনি জানান, পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে ১ ও ২ নম্বর ইউনিট থেকে ৪৬ মেগাওয়াট করে মোট ৯২ মেগাওয়াট, ৩ নম্বর ইউনিট থেকে ৪৯ মেগাওয়াট এবং ৪ ও ৫ নম্বর ইউনিট থেকে ৪০ মেগাওয়াট করে মোট ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।
কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর বেড়ে যাওয়ার ফলে গত ১১ জুলাই রাত ৮টায় বিদ্যুৎকেন্দ্রের সবকটি ইউনিট একযোগে চালু করা সম্ভব হয়। এর আগে দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় কেন্দ্রটির সব ইউনিট একসঙ্গে চালু করা যায়নি।
কেন্দ্রটির কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টিপাতে রাঙামাটি ও আশপাশের এলাকায় ঘণ্টায় ঘণ্টায় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা বাড়ছে। বর্তমানে হ্রদের পানির স্তর রয়েছে ১০০ দশমিক ১৭ ফুট মিন সি লেভেল (এমএসএল)। যেখানে রুলকার্ভ অনুযায়ী এ সময় পানি থাকার কথা ৮৭ দশমিক ৩৬ ফুট এমএসএল। কাপ্তাই লেকে পানির সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০৮ ফুট এমএসএল।
২৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন এই কেন্দ্রের ইউনিটগুলো পানির অভাবে অনেক সময় একযোগে চালু করা সম্ভব হয় না। তবে বর্তমানে উৎপাদিত ২২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলীরা।
